পোস্টগুলি

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড/Swatch of No Ground

ছবি
  সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড মেঘনা নদী আর সাগরের মিলিত হওয়ার জায়গা বা মোহনাকে উপনিবেশ শাসনামলে ব্রিটিশরা সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বা অতলস্পর্শী নামকরন করেন। তৎকালীন ব্রিটিশদের মতে সমুদ্রের এই জায়গাটির কোন তল বা সীমা নেই। অনেকে আবার সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম খাদ বলে মনে করেন। প্রায় ১ লক্ষ ২৫ হাজার বছর পূর্বে তৈরি হওয়া এই সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড এর গভীরতা পরিমাপ করা আজো সম্ভব হয়নি। যা কোনদিন সম্ভব হবে কিনা সেটাই এক রহস্য। Swatch of No Ground The place where the Meghna River meets the sea, or estuary, was called the Swatch of No Ground by the British during the colonial period. According to the British at that time, this place in the sea had no bottom or limit. Many consider the Swatch of No Ground to be the second largest trench in the world. The depth of this Swatch of No Ground, which was formed about 125,000 years ago, has not yet been measured. Whether it will ever be possible is a mystery.  

এই লেকের পানির রঙ বদলে যায় যা আজো এক অমিমাংসিত রহস্য।/"The color of the water in this lake changes, which is still an unsolved mystery."

ছবি
এই লেকের পানির রঙ বদলে যায় যা আজো এক অমিমাংসিত রহস্য প্রাচীনকাল থেকে রহস্যের প্রতি মানুষের রয়েছে দূর্নিবার আকর্ষণ, আর এই আগ্রহের সূত্র ধরে একদিকে যেমন রহস্য ঘেরা পৃথিবীর অনেক অজানা বিষয় আমাদের কাছে পরিষ্কার হয়েছে তেমনি অনেক কিছু রয়ে গেছে আগের মতোই ব্যাখ্যাহীন। তবুও রহস্য পাগল মানুষেরা প্রতি মূহুর্তে অদম্য নেশায় সকল রহস্যের নৈপথ্যের কারণ অনুসন্ধ্যানে মেতে রয়েছেন। বাংলাদেশেও বেশ কিছু রহস্যময় স্থান রয়েছে, ভ্রমণ গাইডের এই আয়োজনে আমরা বাংলাদেশের ৭টি রহস্যময় স্থান সম্পর্কে জানব। প্রতিটি জায়গার রহস্যের গল্প বা মিথ অনেকদিন ধরেই প্রচলিত। এইসব রহস্যময় জায়গার ঘটনা গুলো ভ্রমণ গাইড টিম কর্তৃক অনুসন্ধান করা হয়নি। আমরা শুধু প্রচলিত গল্প গুলোই তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। "বগাকাইন হ্রদ বা বগালেক বান্দরবান জেলা শহর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে রুমা উপজেলাস্থ কেওক্রাডং পর্বতের কাছে অবস্থিত বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উচ্চতার স্বাদু পানির হ্রদ। বগা লেক ঘিরে বসবাসকারী ‘বম’ উপজাতিরা বিশ্বাস করেন অনেক আগে এখানে ছোট ছোট বাচ্চাদের খেয়ে ফেলা ড্রাগন বাস করতো। নিজেদের নিরাপত্তার কথা ভেবে গ্রামের লোকেরা ড্রাগনকে হত্যা ক...

কুয়াকাটা বিচ বাংলাদেশের ভৌতিক স্থানের মধ্যে ষষ্ঠ স্থানে আছে / Kuakata Beach is ranked sixth among the most haunted places in Bangladesh.

ছবি
  কুয়াকাটা বিচ বাংলাদেশের ভৌতিক স্থানের মধ্যে ষষ্ঠ স্থানে আছে  কুয়াকাটা বিচ ‘সাগর কন্যা’ হিসেবে অভিহিত সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা। কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র সমুদ্রসৈকত যেখান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দুটিই দেখা যায়। ২০ কিলোমিটার লম্বা ও ৬ কিলোমিটার চওড়া এই সৈকতকে ঘিরে নানান ভুতুড়ে কাহিনী প্রচলিত আছে। মুইসুলিপাড়ার বাসিন্দা পিতা ও পুত্র মাছ ধরতে ও জ্বালানী কাঠের ব্যবস্থা করতে গঙ্গামাটির গহীন জঙ্গলে গিয়েছিল। সাগরে যেহেতু সুপেয় পানি নেই, তাই তৃষ্ণা নিবারণার্থে তারা মাটি খুঁড়তে শুরু করে সুপেয় পানির আশায়। একসময় তাদের কোদাল শক্ত কিছুতে আঘাত করে। তারা সোনালি আবরণের একটি কাঠের জার এবং কিছু কারুকাজ করা সোনার পাত খুঁজে পান। আরো খুঁড়াখুঁড়ি করার পর তারা বালিতে গেঁথে থাকা সোনা ও ধনরত্ন বোঝাই পুরনো একটি নৌকার হদিস পান। সূর্যাস্তের সময় প্রায় হয়ে যাওয়ায় সেদিনকার মতো কাজে ক্ষান্ত দিয়ে ফিরে যাবার সিদ্ধান্ত নেন তারা। পরদিন ভোর সকালে এসে আবার কাজ করবেন ভেবে সেদিনের মতো তারা সেখান থেকে চলে যান। কিন্তু তাদের জীবনে আর কোনো নতুন সকাল আসেনি। ফেরার পথে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় পিতা-পুত্...

বাংলাদেশে ভুতুড়ে স্থানের মধ্যে পঞ্চম স্থানে আছে / It is ranked fifth among haunted places in Bangladesh.

ছবি
  বাংলাদেশে ভুতুড়ে স্থানের  মধ্যে পঞ্চম স্থানে আছে  বিস্ময়কর হলেও সত্যি ইদানীং সুন্দরবনের জল-ডাঙ্গার কুমির ও বাঘের পাশাপাশি অন্য বিপদের কথাও শোনা যাচ্ছে। বাংলাদেশ ও ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে অবস্থিত সুন্দরবন ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ হিসেবে স্বীকৃত। প্রকৃতিকে কাছ থেকে একনজর দেখতে সেখানে গিয়েছিল একটি দল। এ দলেরই একজন আরেকজনকে গহীন বনে তার একটা ছবি তুলে দিতে বলে। ছবি তুলতে গিয়ে লোকটি চিৎকার করে অজ্ঞান ঔহয়ে যায়। এই ঘটনার দুদিন পর একটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে লোকটির হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয়। তোলা ছবিটি ডেভেলপ করার পরে যার ছবি তোলা হচ্ছিল তার পেছনে সাদা রঙের আবছা নারীমূর্তি দেখা যায়। যদিও অনেকেই পুরো ঘটনাকে গুজব হিসেবে উড়িয়ে দিচ্ছেন এবং ঐ ছবিটিকে ফটোশপের কারসাজি বলে অভিহিত করছেন। উল্লেখ্য যে, আর কোনো সুন্দরবনগামী দলের সাথে এরূপ হয়নি। সুন্দরবন নিয়ে অনেক স্থানীয়দের মধ্যে প্রচলিত আছে যে, মৃত বাঘের আত্মারা নাকি গভীর জঙ্গলে ঘুরে বেড়ায়। পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনকে ঘিরে প্রকৃতির পাশাপাশি অপ্রাকৃতিক কিছুর গল্পও জড়িয়ে গেছে এভাবে, যদিও এর সত্যাসত্য নিয়ে সন্দেহ আছে। সুন্দরবন সুন্দরবনের তথ...

বাংলাদেশের ভুতুড়ে স্থানের মধ্যে পার্কি বিচ, চট্টগ্রাম অন্যতম/ Parky Beach, Chittagong is one of the haunted places in Bangladesh.

ছবি
 বাংলাদেশের ভুতুড়ে স্থানের মধ্যে পার্কি বিচ, চট্টগ্রাম অন্যতম। লম্বায় প্রায় ১৫ কিলোমিটার; ৩০০-৩৫০ ফিট চওড়া এবং ২০ কিলোমিটার ঝাউবনযুক্ত এই সৈকতটি অত্যন্ত নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অধিকারী। এই অনিন্দ্যসুন্দর সমুদ্র সৈকতকে ঘিরেও প্রচলন আছে ভৌতিক কাহিনীর। প্রথমত, সেখানে কিছু এলাকায় অদ্ভুদ পদশব্দ, চিৎকার ও ভুতুড়ে আওয়াজ শুনতে পাওয়া যায়। অনেক পর্যটক ও স্থানীয় ব্যক্তি কৌতূহলবশত অনুসরণ করে এসব শব্দের উৎস খুঁজে বের করবার চেষ্টা করলেও প্রকৃতপক্ষে কোনো উৎসই খুঁজে পাওয়া যায়নি। অনেক সময় মনে হয় শব্দগুলো পানির ভেতর থেকে আসছে। আবার কখনো সেটি পার্শ্ববর্তী বন থেকে আসছে বলে মনে হয়। শব্দগুলো যেনো কৌতূহলী মানুষকে পানিতে টেনে নিয়ে যেতে চায়। সেখানে পর্যটক হিসেবে আগত এক দম্পতির মতে, বিচে সূর্যাস্তের পর সান্ধ্যকালীন ভ্রমণের সময় তাদের দুজনেরই মনে হচ্ছিল কোনো অশরীরী তাদের ওপর চোখ রাখছে। তাদের এই অনুভূতি তাদের থাকার স্থানে ফেরার আগ পর্যন্ত হয়েছে। এছাড়াও গভীর সাগরে নৌকাসহ এক বুড়ো নাবিকের দেখা মেলে। কখনো একজনের আবার কখনো বা অনেককে তাদের নৌকা নিয়ে গভীর সাগরে যেতে দেখা যায়। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এরা কেউই মানুষ ...

বাংলাদেশ অন্যতম ভৌতিক স্থানের মধ্যে ঢাকা এয়ারপোর্ট রোড অন্যতম/ Dhaka Airport Road is one of the most haunted places in Bangladesh:

ছবি
  বাংলাদেশ অন্যতম ভৌতিক স্থানের মধ্যে ঢাকা এয়ারপোর্ট রোড অন্যতম : ঢাকার অন্যতম পুরনো মহাসড়কগুলোর একটি এটি। এখানে গভীর রাতে অশরীরীর উপস্থিতি পাওয়া যায় বলে দাবি অনেকের। গাড়ি চালাতে চালাতে হঠাৎ করে চালক দেখেন সামনে রাস্তায় সাদা পোশাক পরিহিতা একজন নারীকে। নারীটি অবিশ্বাস্য গতিতে গাড়ির দিকে এগিয়ে আসে। ভয় পেয়ে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললেই ঘটে দুর্ঘটনা। এই অশরীরী কোনো মানুষকে স্পর্শ কিংবা সরাসরি ক্ষতি বা আঘাত করে না। ভয় দেখিয়ে দুর্ঘটনা ঘটানোই এর উদ্দেশ্য। কাজেই ভয় পেয়ে গাড়ির উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ না হারালে ঘটবে না কোনো দুর্ঘটনা। ঢাকাইয়া এয়ারপোর্ট রোড  ধারণা করা হয়, অনেক বছর আগে ঐখানে সড়ক দুর্ঘটনায় তার ও তার পরিবারের মৃত্যু হয়েছিল বিধায় প্রতিশোধ নিতে সেও চায় মানুষ একইভাবে দুর্ঘটনায় মারা যাক। চলন্ত গাড়ির একাকী চালককেই গভীর রাতে ভয় দেখায় মেয়েটি। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এখনো পর্যন্ত অনেক দুর্ঘটনা ও বেশ কিছু প্রাণহানি হয়েছে। আহত হয়েছে অনেকে। কারো মতে জসীম উদ্দীন ও বিমান অফিসের মধ্যবর্তী সড়ক এলাকায় আবার অনেকের মতে নিকুঞ্জ ও বিমান অফিসের মধ্যবর্তী সড়ক এলাকায় দেখা পাওয়া যায় এই অশরীরীর। তবে দিনের বেল...

বাংলাদেশের ভুতুড়ে স্থানের মধ্যে অন্যতম লালবাগ কেল্লা/ Lalbagh Fort is one of the haunted places in Bangladesh.

ছবি
  বাংলাদেশের ভুতুড়ে স্থানের মধ্যে অন্যতম লালবাগ কেল্লা অন্যতম আকর্ষণীয় ও ঐতিহাসিক স্থাপনা হল লালবাগ কেল্লা যা মুঘল আমলে নির্মিত হয়েছিল। লালবাগ কেল্লাও ভূতুড়ে স্থান হিসেবে পরিচিত। কেউ কেউ বলে লালবাগ কেল্লায় সুবেদার শায়েস্তা খাঁর কন্যা পরীবিবির আত্মাকে রাতের বেলা ঘুরতে দেখা যায়। আবার মাথাবিহীন উল্টোপায়ের ঘোড়াকেও (মতান্তরে একটি লোক যার মাথা ও পা দুটোই ঘোড়ার মতো, তবে পা উল্টো দিকে ঘোরানো) নাকি মাঝে মাঝে দেখা যায়। সেখানকার স্থানীয় মসজিদে অনেক সময় রাত ৩টার সময় অনেকে এসে নামাজ পড়ে, যদিও ফজরের নামাজের আসল সময় ঋতুভেদে ৪:৩০-৫:০০ টার আশেপাশে হয়। তাদের নামাজের শব্দ অনুসরণ করে সেখানে গেলে দেখা যায় কক্ষটি ফাঁকা। রাত্রিকালীন রক্ষীদের মতে, তারা রাতে কেমন যেন অস্বস্তি অনুভব করেন সেখানে। লালবাগ কেল্লার আরেকটি ভুতুড়ে জিনিস হলো এর তলদেশের একটি সুড়ঙ্গ। কথিত আছে, এর ভেতরে কেউ একবার গেলে আর ফিরে আসে না। কেউ বলে সুড়ঙ্গটি এখান থেকে দিল্লী পর্যন্ত বিস্তৃত, আবার কারো মতে এটি টঙ্গী নদীতে গিয়ে পড়েছে। তবে প্রকৃতপক্ষে কেউই জানে এর গহীনে কী রহস্য লুকিয়ে আছে। বৃটিশ আমলে একবার একটি অনুসন্ধানী দল দুটি কুকুরের গলায় ...